শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত সীমান্তবাসীর পাশে দাঁড়াল বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। তীব্র শীতে কাঁপছে গোটা জেলার মানুষ। সবচেয়ে বেশি কাতর সীমান্ত এলাকার অসহায় মানুষ। সেইসব মানুষের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি।
মঙ্গলবার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলোর শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি রাজশাহী সেক্টর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকশ অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
শিবগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার দুর্লভপুর ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষা গ্রাম কুকড়িপাড়ায় প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার (উপমহাপরিচালক) কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন কম্বলগুলো বিতরণ করেন।
এসময় ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিজিবির অন্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন বলেন, “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচার রোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে প্রত্যন্ত সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসরত সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে বিজিবি সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হয়েও বিজিবি দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সবসময়ই অসহায় ও বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মহোদয়ের মূলনীতি ‘বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’ বাস্তবায়নে প্রতিটি বিজিবি সদস্য বদ্ধপরিকর। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলো। এই শীতে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ তাদের সামান্য স্বস্তি এনে দিতে পারা আমাদের জন্য গৌরবের। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের প্রতি এই মানবিক সহায়তা তাদের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি বিজিবি ও স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যকার আস্থা ও সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করবে। ভবিষ্যতেও বিজিবি এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এবং সীমান্ত এলাকার সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।”

শেয়ার করুন