নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেপিএম থেকে ৯১৪ টন কাগজ গেল ইসিতে

নিদিষ্ট সময়ের আগে কর্ণফুলী পেপার মিলস (কেপিএম) থেকে বিএসও’র মাধ্যমে ইসিতে গেল ৯১৪ টন কাগজ। যার বাজার মূল্য ১১ কোটি টাকার বেশি বলে জানা গেছে।
রবিবার সকালে কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ছাপানো এবং অন্যান্য কাজ সম্পাদনের জন্য রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড থেকে চলতি অর্থবছরে ৯১৪ টন কাগজের চাহিদাপত্র দিয়েছিল বাংলাদেশ স্টেশনারি অফিস (বিএসও)। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১১ কোটি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮১ টাকা। চাহিদাপত্রের বিপরীতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেপিএম কর্তৃপক্ষ এই কাগজ সরবরাহ করেছে।
তিনি আরো বলেন, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সাড়ে ৩ হাজার টন কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানোর জন্য নির্বাচন কমিশন বিএসও’র মাধ্যমে কেপিএম মিল থেকে ব্রাউন, সবুজ ও গোলাপি কালার কাগজের চাহিদাপত্র দিয়েছে। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে এই কাগজ সরবরাহের জন্য বলা হয়েছিল। আমরা ১১ জানুয়ারির মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই কাগজ বিএসও’র কাছে সরবরাহ করেছি।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ছাড়াও বিএসও’র মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১১টি প্রতিষ্ঠানে আরো ১২০০ টন কাগজ পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হবে। আজ (গতকাল) রবিবার পর্যন্ত ১৯ হাজার ৩০ টন কাগজ উৎপাদন করা হয়েছে।
এ সময় কেপিএমের জিএম (কমার্শিয়াল) আবদুল্লা আল মামুন, কেপিএম উৎপাদন বিভাগের প্রধান মঈদুল ইসলাম, জিএম (এডমিন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত কেপিএম একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ ও মণ্ড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কাগজকলগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা ১৯৫০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি দেশের প্রথম শিল্প সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি, যা কারখানা আইনের আওতায় নিবন্ধিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে।