শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

পাম্পের তেল মজুতের সীমা নির্ধারণে পর্যবেক্ষণ বিএসটিআই’র

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় ফিলিং স্টেশনে তেল মজুত (‘ডেড স্টক’) রাখা নিয়ে গ্রাহকদের সাথে প্রায় সৃষ্টি হচ্ছে ভুল বুঝাবুঝি। অনেক সময়ই তা গড়াচ্ছে বাকবিতণ্ডায়। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে তেলের পাম্পগুলোর তেলের রিজার্ভ ট্যাংক পরীক্ষা করে কতটুকু তেল না রাখলেই নয়, সেই পরিমাণ নির্ধারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেলের পাম্প পর্যবেক্ষণ করেছেন রাজশাহী বিএসটিআই’র একটি এক্সপার্ট টিম।
এক্সপার্ট টিমটি জেলাশহরের বিশ্বরোড মোড়ে অবস্থিত মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামে মঙ্গলবার বিকালে পর্যবেক্ষণে আসে। এসময় তারা পাম্পটির ডিজেল ও পেট্রোলের রিজার্ভ ট্যাংক পরীক্ষা করে তেলের সর্বশেষ মজুতের সীমা নির্ধারণ করে দেন। এখানে জিজেলের জন্য ১৬৩২ লিটার ও পেট্রোল ৭৫০ লিটার ডেড স্টক নির্ধারণ করা হয়।
পরে এক্সপার্ট টিমের প্রধান রাজশাহী বিএসটিআই’র সহকারী পরিচালক আজিজুল হাকিম সংবাদিকদের জানান, তেলের পাম্পে কিছু টেকনিক্যাল বিষয় থাকে। কিছু তেল অবশিষ্ট রাখতেই হয়, এটা না রাখলে টেকনিক্যাল নানা সমস্যা দেখা দেয়। এটাকে আমরা আমাদের ভাষায় ডেড স্টক বলে থাকি। গ্রাহকরা এখন অনেক সময় দাবি করেন যে যতক্ষণ পর্যন্ত তেল আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মেশিন চালাতে হবে। কিন্তু ডেড স্টক অতিক্রম করে মেশিন চালু রাখলে নানা টেকনিক্যাল সমস্যা হয়, এমনকি মিটারে উঠলেও গ্রাহক সঠিক তেল পাবেন না। গ্রাহকদের সাথে পাম্প মালিকদের ভুল বুঝাবুঝি দূর করতে আমরা সোমবার রাজশাহীর বেশ কিছু পাম্পে পর্যবেক্ষণ করে ডেড স্টক নির্ধারণ করে দিয়েছি, আজকে মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসেছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন— রাজশাহী বিএসটিআই’র মেট্রোলোজি বিভাগের পরিদর্শক জয় কুমার ঘোষ, মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামের ট্যাগ অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামের স্বত্বাধিকারী আলমগীর মুরশেদ শিমুলসহ অন্যরা।

শেয়ার করুন