ফ্রান্সে আইফেল টাওয়ার বন্ধ, ইতালিতে ২ জনের মৃত্যু

দক্ষিণ ইউরোপজুড়ে তীব্র এক তাপপ্রবাহ রেকর্ড ভেঙেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের সতর্ক করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইতালিতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বোলোগনায় একটি নির্মাণস্থলে অসুস্থ হয়ে পড়ে ৪৭ বছর বয়সি একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে তুরিনের পশ্চিমে একটি পর্যটন কেন্দ্রে আকস্মিক বন্যার সময় ৭০ বছর বয়সি এক ব্যক্তির ডুবে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তাপপ্রবাহের কারণে প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের ওপরের অংশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্যারিসসহ আরও ১৫টি ফরাসি অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সোমবার অনেক শহর জুন মাসের রেকর্ড উষ্ণতম রাত ও দিন অনুভব করেছে। তবে গতকাল মঙ্গলবার তাপপ্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া স্পেন এবং পর্তুগালের কিছু অংশ জুন মাসে তাদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। পর্তুগালের মধ্যাঞ্চলের মোরাতে রেকর্ড ভাঙার একদিন পর দক্ষিণ-পশ্চিম স্পেনের এল গ্রানাডোতে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। স্পেনের এমেট আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আইবেরিয়ান উপদ্বীপের বেশ কয়েকটি স্থানে তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে, তবে বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। জার্মানির আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার ও বুধবার তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এটি আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জার্মানির রাইন নদীর পানি কমে গেছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে পণ্যবাহী জাহাজে মালামাল পরিবহন কঠিন হয়ে পড়েছে।