যানবাহন নিয়ন্ত্রণে জিপিএস পদ্ধতি কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, আগামীতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে জিপিএস পদ্ধতি কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার।
রবিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
সড়কমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কারণে গত ঈদুল ফিতরে দেড় কোটি মানুষ সুষ্ঠুভাবে ঈদ উদ্যাপনের জন্য ঢাকার বাইরে যাতায়াত করতে পেরেছে।
ঈদের ছুটিকালীন দুটি দুর্ঘটনায় বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামীতে যাতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়, সেই বিষয়ে বাস্তব সম্মত কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
এ সময় শেখ রবিউল আলম আরো বলেন, আগামী ঈদে রাস্তাঘাটে এখান-সেখান থেকে বাসে লোকজন পরিবহন করা যাবে না। সুনির্দিষ্ট স্টপেজগুলো থেকেই যাত্রী নিতে হবে।
তিনি বলেন, জিপিএস সিস্টেম চালুর ফলে যাত্রীবাহী বাসগুলো অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করলে অথবা নির্দিষ্ট দূরত্বে না গেলে বা মাঝপথ থেকে ফিরে আসলে, যানবাহনগুলো অটোমেটিক্যালি জরিমানার আওতায় পড়বে।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদুল ফিতরের সময় দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বিপুলসংখ্যক মানুষ সুষ্ঠুভাবে প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি ঘরে যাতায়াত করতে পেরেছে। তিনি আরো বলেন, ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ আসন্ন। ঈদুল আজহার সময়ের মানুষের যাতায়াত কীভাবে আরো নির্বিঘ্ন করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, বিভিন্ন সংস্থার প্রধান থেকে অনেকগুলো মতামত পরামর্শ এসেছে। এগুলো আমরা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নেব।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী ঈদুল আজহার সময়ও সড়কের পাশে কোনো দোকান বসবে না। কোরবানির পশুর হাটও মহাসড়কের পাশে না বসানোর জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয় এবং সারাদেশের জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে সড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।