শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

১১ মাস পর জনসমক্ষে নোবেলজয়ী মাচাদো
গত ১১ মাস ধরে আত্মগোপনে ছিলেন মাচাদো। জনসমক্ষে তার শেষ উপস্থিতি ছিল চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি। ওইদিন রাজধানী করাকাসে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর তৃতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। অবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোরে নরওয়ের অসলোতে ১১ মাস পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা দিলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও ভেনিজুয়েলার বিরোধী রাজনৈতিক নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে নরওয়ের অসলোতে পৌঁছেছেন। তার অসলো পৌঁছানোর খবর নিশ্চিত করেছেন নোবেল কমিটির প্রধান। তবে মাচাদো সশরীরে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। তাই তার অনুপস্থিতিতেই পুরস্কার প্রদান সম্পন্ন করা হয়। গত অসলোর সিটি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় এ নেতার পক্ষে তাঁর মেয়ে আনা কোরিনা সোসা পুরস্কার গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মাচাদোর অসলো পৌঁছানোর খবর পাওয়া যায়। মাচাদোকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় নরওয়েতে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ করে দেয় মাদুরো সরকার। পাশাপাশি মাচাদোর বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল হুঁশিয়ারি দেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলার তদন্ত চলমান থাকায় দেশত্যাগ করলে তাকে ‘পলাতক’ গণ্য করা হবে। এরপরও গোপনে দেশ ছাড়তে সক্ষম হন মাচাদো। গতকাল দিবাগত রাতে মাচাদোকে অসলোর গ্র্যান্ড হোটেলে বারান্দায় দেখা যায়। সাধারণত নোবেলজয়ীরা পুরস্কার নিতে এসে অসলোর গ্র্যান্ড হোটেলে অবস্থান করেন। তিনি বারান্দা থেকে হোটেলের নিচে জড়ো হওয়া সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। পরে সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ও ছবি তোলেন। সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন