সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বেড়ে ১৮৯ টাকা

প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বেড়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া খোলা তেলের লিটার ১৬৯ টাকা ও পাম অয়েলের লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৯ টাকা।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভোজ্যতেলের আমদানি ও সরবরাহসহ সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
এর আগে গত রবিবার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা ও পাম তেলের দাম ১২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
সে নির্ধারিত দাম মেনে নেয়ার কথা জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় একদিন পরে একই দাম ঘোষণা করে সরকার।
বাণিজ্য সচিবের কক্ষে ভোজ্যতেলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করার পর উপদেষ্টা বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের ব্রিফিং করে দাম বাড়ানোর কথা জানান। তিনি জানান, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কিনতে খরচ করতে হবে ১৮৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৭৫ টাকা। পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা, যা ছিল ৮৫২ টাকা। বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের নতুন দাম হবে প্রতি লিটার ১৬৯ টাকা, যা ছিল ১৫৭ টাকা।
এর আগে ঈদের ছুটির পর ৬ ও ৮ এপ্রিল তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে দুই দফা বৈঠক করা হয়েছিল। তবে ওই সময় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এরপর ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় ১৩ এপ্রিল। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণার পরপর থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে জানায় সংগঠনটি।
তবে এ ঘোষণার পরপরই বৈঠকের জন্য ডাকা হয় ব্যবসায়ীদের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে তলব করে চিঠি পাঠিয়ে টিকে, মেঘনা, সিটি গ্রুপের প্রতিনিধিদের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছিল। চিঠি পাঠানো হয় ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ভোজ্যতেল কারখানা মালিক সমিতির সভাপতির কাছেও।
সে অনুযায়ী মঙ্গলবার তৃতীয় দফায় বৈঠক হয়। বৈঠকে ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে দাম বাড়ানো হলো।