শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ইবিএইউবি’র নতুন উপাচার্য সফিকুল বারী

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ (ইবিএইউবি)তে নতুন উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন প্রফেসর মো. সফিকুল বারী। গত ১ জুলাই তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে যোগদান করেন।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়া হয়েছে। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিকমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রফেসর সফিকুল বারীর জন্ম ১৯৬৯ সালের ৭ মার্চ। তার বাবা মৃত প্রকৌশলী আবদুস সামাদ ফৌজদার ও মাতা মৃত ফজিলাতুন নেসা। তার স্থায়ী ঠিকানা নাটোর সদর।
তিনি মোংলা পোর্ট থেকে এসএসসি, রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (কৃষি) ও স্নাতকোত্তর (হর্টিকালচার) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বনায়নের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এছাড়া গ্রিসের এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্যের ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ও জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্ট ডক্টরাল সম্পন্ন করেন। চীনের শেনাং এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটিতে সেফ ফুড প্রোডাকশন কোর্স, অস্ট্রেলিয়ার ক্র্যাফোর্ড ফান্ডে অ্যাডভান্স রিসার্চ, নেদারল্যান্ডসের ওয়েজেনিনজেন ইউনিভার্সিটতে কৃষিতে সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করেন। এছাড়া বিদেশের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেট কোর্স ও গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।
তিনি সুইডেনের সিডা, যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং জাপানের এমআইফিসহ আরো কয়েকটি দেশ থেকে সম্মানসূচক স্বীকৃতি ফেলোশিপ পেয়েছেন।
তিনি স্যান্ডি এবং আইসিইএমওডি শীর্ষক ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্টে প্রজেক্ট ডাইরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ইরাসমাস প্লাস সি-এশিয়া ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্টে প্রোগ্রাম লিডার হিসেবে কাজ করেছেন।
সফিকুল বারী ১৯৯৭ সালে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১১ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান তিনি।
তিনি দিনাজপুরে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান ও বেগম রোকেয়া হলের প্রভোস্ট ছিলেন।
উল্লেখ্য, গতবছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ইবিএইউবি’র তৎকালীন উপাচার্যের পত্যাগ দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে এর শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তিনি পদত্যাগ করলে প্রতিষ্ঠানটি উপাচার্যশূন্য হয়ে পড়ে। নতুন এই উপাচার্য যোগদানের পর সেই শূন্যতা পূরণ হলো।

শেয়ার করুন