শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২২ শতাংশ আমন ধান কাটা শেষ ফলন বিঘাপ্রতি গড়ে ২২ মণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এগিয়ে চলেছে রোপা আমন ধান কাটা ও মাড়াই। এরই মধ্যে ২২ শতাংশ ধান কাটা হয়ে গেছে। প্রতি বিঘায় ধানের ফলন পাওয়া যাচ্ছে ২২ থেকে ২৩ মণ এবং চাল পাওয়া যাচ্ছে ১২ মণের উপর।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তর জানিয়েছে, জেলায় এবার ৫৩ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ধান সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে নষ্ট হয়েছে। তবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না।
নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম জানান, এবার তিনি ৮ বিঘা জমিতে রোপা আমন ধান আবাদ করেছেন। বিঘাপ্রতি তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকা। ফলন গড়ে ২১ থেকে ২২ মণ হবে বলে তিনি জানান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তর জানায়, চাষাবাদ করা ধানের জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে— ৫১ হাজার ৫৭০ হেক্টর উচ্চ ফলনশীল জাত, ৩০০ হেক্টর হাইব্রিড জাত, ১ হাজার ৯৩০ হেক্টর স্থানীয় জাত। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৪ মেট্রিক টন।
গতবছর ৫৪ হাজার ৪১৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছিল। আর চাল উৎপাদন হয়েছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ১১২ মেট্রিক টন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বলেন, এবার ফলন ভালো হচ্ছে। বিঘাপ্রতি শুকনো চাল পাওয়া যাচ্ছে গড়ে ১২ মণ এবং শুকনো ধান ১৮ মণ। তবে রসালো ধান পাওয়া যাচ্ছে ২২ থেকে ২৩ মণ। এরই মধ্যে ২২ শতাংশ ধান কাটা মাড়াই হয়ে গেছে। এখন পুরোদমে কাটা মাড়াই চলছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে তিনি জানান।

শেয়ার করুন