বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সংলাপ ও ওরিয়েন্টেশন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাব বিস্তারকারী স্টেকহোল্ডার/অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া একই বিষয়ে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার পৃথক স্থানে এই দুটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবারে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকরামুল হক নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস, উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান, উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল আলিম এবং সদর উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল ওহাব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন— ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জেমস বিশ্বাস, এসএসবিসি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক উত্তম মণ্ডলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
সংলাপে বক্তারা বাল্যবিয়ের কুফল, শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহিংসতার নেতিবাচক প্রভাব এবং এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা জোরদার এবং সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি।
সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এসএসবিসি প্রকল্পের সহায়তায় এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
জেলা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন— এসএসবিসি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক উত্তম মণ্ডল, প্রকল্পের কমিউনিটি সহায়তাকারী পলাশ আলী এবং মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম।
ওরিয়েন্টেশনে উপস্থিত সকলে তাদের জায়গা থেকে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরক্ষায় করণীয় বিষয়ে মতামত দেন।
ওরিয়েন্টেশনে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্যকর্মী ও সমাজকর্মী, ১১-১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী, যুবসমাজের প্রতিনিধি এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইউনিসেফের সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্প এই দুটি কর্মসূচির আয়োজন করে।